দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানহানিকর বক্তব্য প্রচারের অভিযোগে চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীমের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা নিয়ে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন কুমিল্লা-৬ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। এ ঘটনায় তিনি বিব্রত প্রকাশ করেছেন। একইসঙ্গে মামলাটি প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বেলা ১১টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে তিনি জানতে পেরেছেন যে, তার নির্বাচনী এলাকা সদর দক্ষিণ থানায় চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীমের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে তিনি আগে থেকে অবগত ছিলেন না এবং কারা মামলা করেছেন, সে বিষয়টি তার জানা ছিল না।
ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘বিষয়টি জানতে পেরে আমি বিব্রত হয়েছি।’
মনিরুল হক চৌধুরী আরও জানান, মামলার খবর পাওয়ার পরই তিনি তার নেতাকর্মীদের বাদীর সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নিতে এবং মামলা প্রত্যাহারের অনুরোধ করতে নির্দেশ দেন। তার দাবি, বাদী মামলা প্রত্যাহারে সম্মতি জানিয়েছেন।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবং তার আইনজীবীকেও এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
সংসদ সদস্য বলেন, ‘জাতীয় সংসদে সংঘটিত একটি অনভিপ্রেত ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার যে অভিযোগ ছিল, তা তিনি সংসদের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে লিখিতভাবে উপস্থাপন করেছেন। তিনি সবসময় আইনশৃঙ্খলা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখার পক্ষে বলেও মন্তব্য করেন।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানহানিকর ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য প্রচারের অভিযোগে মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীমের বিরুদ্ধে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি দায়ের করেন জালাল আহমেদ খোকন তালুকদার। মামলার পর বাদীর রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও বিতর্ক দেখা দেয়। তবে সর্বশেষ ফেসবুক পোস্টে সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী মামলার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করে বিষয়টির শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং মামলা প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান।
কে